Download

Download most essential Medical books

Doctors

Doctor Details

News

details

Doctors Chamber>

Doctors Chamber address

Everything

Everything

নির্বাচিত ব্লগ

বর্গী মানে কি? কাদের কে বর্গী বলে ডাকা হতো?

বাংলায় বর্গী আক্রমণের সেই কবিতার পুরোটা কতজন জানেন? ছেলে ঘুমালো, পাড়া জুড়ালো বর্গী এল দেশে বুলবুলিতে ধান খেয়েছে খাজনা দেব কিসে।। ধান ফুর...

Showing posts with label সকল. Show all posts
Showing posts with label সকল. Show all posts

ইনকিলাব জিন্দাবাদ শব্দের ইতিহাস

 ইনকিলাব জিন্দাবাদ (উর্দু: اِنقلاب زِنده باد; হিন্দি: इंक़लाब ज़िन्दाबाद) একটি উর্দু বাক্যাংশ,যার অনুবাদ "বিপ্লব দীর্ঘজীবী হোক"। এটি প্রথম সাহিত্যে ব্যবহার করেন মুহাম্মদ ইকবাল। যদিও প্রাথমিকভাবে এই স্লোগানটি ব্রিটিশ রাজে বামপন্থী কম্যুনিস্টরা ব্যবহার করেন, আজ এটি বাংলাদেশ, ভারত ও পাকিস্তানে বিক্ষোভের সময় নাগরিক সমাজের কর্মীরা এবং বিভিন্ন মতাদর্শিক পটভূমির রাজনীতিবিদদের কর্তৃক ব্যবহৃত হচ্ছে।


ইতিহাস

 এই স্লোগানটি ১৯২১ সালে ইসলামিক পণ্ডিত, উর্দু কবি, ভারতীয় স্বাধীনতা সংগ্রামী, ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের বিশিষ্ট নেতা এবং ভারতের কমিউনিস্ট পার্টির অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা মাওলানা হাসরাত মোহানি দ্বারা সৃষ্টি করা হয়। এটি ভগত সিং (১৯০৭-১৯৩১) দ্বারা ১৯২০ এর দশকের শেষের দিকে তার বক্তৃতা এবং লেখার মাধ্যমে জনপ্রিয় হয়েছিল। এটি হিন্দুস্তান সোশ্যালিস্ট রিপাবলিকান অ্যাসোসিয়েশনের অফিসিয়াল স্লোগানও ছিল এবং কমিউনিস্ট একত্রীকরণের স্লোগানের পাশাপাশি অল ইন্ডিয়া আজাদ মুসলিম কনফারেন্সের একটি স্লোগান। ১৯২৯ সালের এপ্রিলে, এই স্লোগানটি ভগৎ সিং এবং তার সহযোগী বটুকেশ্বর দত্ত দ্বারা উত্থাপিত হয়েছিল, যিনি দিল্লিতে কেন্দ্রীয় আইনসভায় বোমা হামলার পরে এই স্লোগান দিয়েছিলেন।  পরবর্তীতে, প্রথমবারের মতো একটি উন্মুক্ত আদালতে, এই স্লোগানটি ১৯২৯ সালের জুন মাসে দিল্লির হাইকোর্টে তাদের যৌথ বিবৃতির অংশ হিসাবে উত্থাপিত হয়েছিল।  তারপর থেকে, এটি ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের অন্যতম র‌্যালিতে পরিণত হয়। স্বাধীনতা আন্দোলনের দীর্ঘস্থায়ী ভারতীয় রাজনৈতিক উপন্যাসগুলোতে, স্বাধীনতার পক্ষের অনুভূতি প্রায়শই এই স্লোগানে চিৎকার করে চরিত্রগুলির দ্বারা চিহ্নিত করা হয়। 


সূত্র- উইকিপিডিয়া 

Share:

বর্গী মানে কি? কাদের কে বর্গী বলে ডাকা হতো?

বাংলায় বর্গী আক্রমণের সেই কবিতার পুরোটা কতজন জানেন?


ছেলে ঘুমালো, পাড়া জুড়ালো

বর্গী এল দেশে

বুলবুলিতে ধান খেয়েছে

খাজনা দেব কিসে।।

ধান ফুরল, পান ফুরল

খাজনার উপায় কি?

আর ক’টা দিন সবুর কর

রসুন বুনেছি।।

ধনিয়া পিয়াজ গেছে পচে

সর্ষে ক্ষেতে জল

খরা-বন্যায় শেষ করিল

বর্ষ এর ফসল।

ধানের গোলা, চালের ঝুড়ি

সব শুধু খালি

ছিন্ন কাপড় জড়িয়ে গায়ে

শত শত তালি

ধানের গাছ, বিলের মাছ

যাই কিছু ছিল

নদীর টানে বাঁধটি ভেঙ্গে

সবই ভেসে গেল।

এ বারেতে পাঁচ গাঁয়েতে

দিয়েছি আলুর সার

আর কটা দিন সবুর করো

মশাই জমিদার।


শৈশব কালে আমাদের মা-খালা, দাদী-নানীরা প্রায় এই ছড়াটা শুনিয়ে ঘুম পারাতেন। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে বর্গী মানে কি? কাদের কে বর্গী বলে ডাকা হতো? আমাদের সাথে বর্গীদের কি সম্পর্ক?


অষ্টাদশ শতাব্দীর লুটতরাজপ্রিয় অশ্বারোহী মারাঠা সৈন্যদলের নাম ‘বর্গি’। বাংলাদেশের পশ্চিমের নানান স্থানে প্রতি বছর প্রায় নিয়মকরেই একটা নির্দিষ্ট সময় (১৭৪১ – ১৭৫১) পর্যন্ত মারাঠাদের কিছু সংঘবদ্ধ লুটেরা এদেশে এসে লুটপাট করতো, সৃষ্টি করতো বিশৃঙ্খলার। লুট করে নিতো খেতের ফসল। ঘর বাড়ি জ্বালিয়ে দিতো, হত্যা করতো নিরীহ মানুষ। এইসব লুটেরাদেরকেই বাংলার মানুষজন বর্গী বলে ডাকতো। বর্গিহানা এই সময় একপ্রকার বাৎসরিক ঘটনায় পরিণত হয়েছিল।


মারাঠি ধনগর জাতীয় লোকেরা অভিযানে যাওয়ার সময় কেবলমাত্র একটি সাত হাত লম্বা কম্বল ও বর্শা নিয়ে বের হত। এই বর্শাকে মারাঠি ভাষায় বলা হত ‘বরচি’। এই নাম থেকেই ধনগররা বারগির বা বর্গা ধনগর বা বর্গি নামে পরিচিত হয়। বর্গি শব্দটি মারাঠি বারগির শব্দের অপভ্রংশ। বারগির বলতে মারাঠা সাম্রাজ্যের সেই সব অশ্বারোহীদের বোঝাত। এরা ছিল ধনগর জাতীয় এবং মারাঠা নেতা ছত্রপতি শিভাজী মারাঠী প্রশাসন কর্তৃক এদের ঘোড়া ও অস্ত্র সরবরাহ করা হত। মারাঠারা প্রধানত ভারতের মহারাষ্ট্রের অধিবাসী হলেও তারা ভারতবর্ষের গোয়া গুজরাট কর্নাটক অন্ধ্রপ্রদেশ তামিলনাড়ু– ও মধ্য প্রদেশেও বাস করে। সনাতন ধর্মের অনুসারী মারাঠারা মুগল আমলে ছিল ক্ষত্রিয় যোদ্ধা।


মারাঠাদের অবিসংবাদিত নেতা ছিলেন ছত্রপতি শিবাজী (১৯ ফেব্রুয়ারি, ১৬২৭-এপ্রিল ৩, ১৬৮০); তিনিই ১৬৭৪ সালে মহারাষ্ট্রের মারাঠী সাম্রাজ্যটি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন । মারাঠী সাম্রাজ্য রাজধানী ছিল মহারাষ্ট্রের রাইগাড। ১৮১৮ অবধি মারাঠী সাম্রাজ্যটি টিকে ছিল। মারাঠী সাম্রাজ্য পতনের কারণ ভারতবর্ষে নতুন শক্তির আগ্রাসন।


মুগল সম্রাট আওরঙ্গজেব (নভেম্বর ৪, ১৬১৮-মার্চ ৩, ১৭০৭) সম্রাটের দক্ষিণ ভারতের সামরিক অভিযানের সময় মারাঠা সাম্রাজ্যটি ক্ষতিগ্রস্ত হতে থাকে, যার ফলে মারাঠারা মুগল শাসনের প্রতি বিক্ষুব্দ হয়ে উঠে। যেহেতু মুগল আমলে মারাঠারা ছিল হিন্দু ক্ষত্রিয় যোদ্ধা সুতরাং সম্রাট আওরঙ্গজেব মনসব পদ দিয়ে মারাঠা সৈন্যদের মুগল সেনাবাহিনীতে অর্ন্তভূক্ত করে মারাঠাদের রোষ প্রশমিত করার চেষ্টা করেন। কিন্তু তাতে তেমন কোনো লাভ হয়নি। কিছু কিছু মারাঠা সেনাপতি সম্রাট আওরঙ্গজেব-এর অনুগত থাকলেও বেশির ভাগ মারাঠা সৈন্যই রোষবশত ভারতবর্ষে মুগল শাসিত প্রদেশগুলিতে লুঠপাঠ আরম্ভ করে। রোষের শিকার মুগল শাসিত প্রদেশগুলিতে সুবা বাংলা ছিল অন্যতম।


বাংলা মুগলশাসিত প্রদেশ বলেই ১৭৪২ থেকে ১৭৫১ সাল পর্যন্ত বার বার বাংলায় বর্গীদের আক্রমন সংঘটিত হতে থাকে। নওয়াব আলীবর্দী খান ১৭৪০ সালে বাংলার নওয়াব নিযুক্ত হন। ১৭৪২ সালের ১৫ এপ্রিল বর্গীরা বর্ধমান (বর্তমান পশ্চিম বাংলা) আক্রমন করে। জরুরি সংবাদ পেয়ে নওয়াব আলীবর্দী খান সসৈন্য বর্ধমানের দিকে অগ্রসর হতে থাকেন। বর্গীদের নেতা ছিল ভাস্কর পন্ডিত, তার নির্দেশে বর্গীরা নওয়াব-এর রসদ সরবরাহ বিচ্ছিন্ন করে দেয়। ২৬ এপ্রিল বর্গী বেষ্টনী ছিন্ন করে কোনওমতে প্রাণে বাঁচেন নওয়াব ।

৬ মে, ১৭৪২। মুর্শিদাবাদের দ্বারপ্রান্তে সশস্ত্র বর্গীরা এসে উপনীত হল। নওয়াব আলীবর্দী খান সে সময় মুর্শিদাবাদে ছিলেন না। নির্মম বর্গীরা মুর্শিদাবাদ নগরের বড় একটি বাজার পুড়িয়ে দেয়। এবং এভাবে বর্গীদের নির্বিকার ধ্বংসযজ্ঞ বাংলার মানসে চিরতরে প্রোথিত হতে থাকে: যে রুদ্ধশ্বাস অনুভূতি প্রকাশ পেয়েছিল মনোরম বিষন্ন একটি ছড়ার আকারে ...


খোকা ঘুমালো, পাড়া জুড়ালো

বর্গী এল দেশে,

বুলবুলিতে ধান খেয়েছে

খাজনা দেব কীসে?


মুর্শিদাবাদ নগরে জগৎ শেঠ নামে এক ধনী সওদাগর বাস করতেন । বর্গীরা তার কাছ থেকে ৩ লক্ষ টাকা আদায় করে নেয়। পরের দিনই, অর্থাৎ ৭ মে নওয়াব আলীবর্দী খান মুর্শিদাবাদ উপস্থিত হন। ততক্ষণে মুর্শিদাবাদের অনেকটা জ্বালিয়ে পুড়িয়ে ছাড়খার করে বর্গীরা আরও দক্ষিণে পালিয়ে গেছে ।

১৭৪২ সালের জুলাই মাসে, অর্থাৎ মুর্শিদাবাদ আক্রমনের ২ মাস পর হুগলি জেলায় বর্গীরা একটি সৈন্য শিবির স্থাপন করে এবং খাজনা আদায় করতে লাগল। (‘বুলবুলিতে ধান খেয়েছে’-এই লাইনটি একটি বিশেষ সময়ের প্রতীক। বাঙালির রসিক মনের গূঢ়তম অভিব্যাক্তি ...)


সপ্তদশ ও অস্টাদশ শতকে বাংলার রেশমি কাপড়ের আড়ংগুলি (আড়ং শব্দটা ফারসি। আড়ং বলতে বড় আকারের বাজারকে বোঝায়) ছিল জমজমাট। বর্গী আক্রমনে আড়ংগুলি লোকশূন্য হয়ে পড়ে, আড়ংগুলি খাঁ খাঁ করতে থাকে। বাংলার অর্থনীতি স্থবির হয়ে পড়তে থাকে। বাংলাজুড়ে খাদ্যশস্যের অভাব দেখা দেয়, ব্যবসা-বানিজ্য বন্ধ হয়ে যেতে থাকে। যা হোক। বর্গীরা চৌথ আদায় করতে থাকে এবং পুবের যশোর জেলা অবধি বর্গীদের খাজনা আদায় ক্রমেই সম্প্রসারিত হতে থাকে। বর্গীদের নির্মম অত্যাচারে বহু লোক ভিটেমাটির মায়া ত্যাগ করে গঙ্গার পূর্বাঞ্চলে ( বর্তমান বাংলাদেশে) চলে আসে। পূর্বাঞ্চলের বাঙালিরাও বর্গী লুন্ঠনের শিকার হয়।


বাংলাপিডিয়ায় মোহাম্মদ শাহ লিখেছেন, ‘ঘন ঘন মারাঠা হামলা বাংলাকে মহাবিপর্যয়ে নিপতিত করে। বাংলার জনগনের জন্য এটা এতটাই ধ্বংস আর দুঃখ বয়ে আনে যে, মারাঠা বর্গীদের হামলার ভীতিকর গল্প বাংলার শিশুদের ঘুমপাড়ানি গানে বিশেষ স্থান অধিকার করে। এর সাথে অজন্মা ও খরা মিলে বাংলার অবস্থা আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করে। মারাঠা হানাদাররা লুন্ঠন, অগ্নি সংযোগ ও হত্যাযজ্ঞের মাধ্যমে বাংলার জনগনের মনে এমনি ত্রাসের সঞ্চার করেছিল যে, বহুলোক তাদের ঘরবাড়ি ছেড়ে গঙ্গার পূর্বদিকের জেলাগুলিতে পালিয়ে যায়। এতে উক্ত এলাকার জনসংখ্যার চাপ বৃদ্ধি পেয়ে মারাত্মক অর্থনৈতিক সংকট সৃষ্টি করে। মূল এই অর্থনৈতিক সংকটই পরবর্তী সময়ে বাংলার নওয়াবকে বিপর্যস্ত ও পর্যুদস্ত করে।’

বাংলার ইতিহাসে মীর জাফরের আগেও মীর হাবিব নামে বাংলায় আরও একজন বিশ্বাসঘাতক ছিল! পারস্য সেই অভিজাতটি এক সময় নওয়াব আলীবর্দী খানের ঘনিষ্ট ছিল; অথচ, এই লোকটিই লোকাল এজেন্ট হিসেবে বর্গীদের সাহায্য করত! আসলে মীর হাবিব ছিল রাজাকার; তার বাংলা সম্বন্ধে খুঁটিনাটি জ্ঞান ছিল। বর্গীরা সে জ্ঞান প্রয়োগ করে সহজেই বাঙালির ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ত!


১৭৪২ সালের মাঝামাঝি বাংলা থেকে বর্গীদের নিমূর্ল করার কঠিন সিদ্ধান্ত নেন নওয়াব আলীবর্দী। নওয়াবের এ সিদ্ধান্ত বাঙালিদের ভালোবেসে নয়, দিল্লির প্রাপ্য খাজনায় বর্গীরা ভাগ বসাচ্ছিল বলেই। ১৭৪৩ সালে বর্গীরা মেদিনীপুর আক্রমন করে। নওয়াব আলীবর্দীর নেতৃত্বে মুগল সৈন্যরা মেদিনীপুরের দিকে অগ্রসর হতে থাকে। ৯ ফেব্রুয়ারি দুপক্ষের তুমুল সংর্ঘষ হয়। নওয়াব আলীবর্দীর উন্নততর রণকৌশলের ফলে মেদিনীপুর থেকে বর্গীরা উৎখাত হয়ে যায়। ১৭৪৪ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে বর্গী নেতা ভাস্কর পন্ডিত আবার বাংলা আক্রমন করে বসে। নওয়াব আলীবর্দী খান বাধ্য হয়ে এবার ষড়যন্ত্রের পথ ধরেন। বর্গী নেতা ভাস্কর পন্ডিতকে বৈঠকের আহবান জানান। বৈঠকে ২১ জন বর্গীসহ ভাস্কর পন্ডিত এলে তাঁবুর আড়ালে লুকিয়ে থাকা মুগল সৈন্যদের আক্রমনে বর্গীরা নিহত হয়। ১৭৫০ সালের বর্গীরা আবার বাংলায় হানা দেয়। ১৭৫১ সালে বর্গী আক্রমনের তীব্রতা এতই বেড়ে যায় যে, নবাব আলীবর্দী খানকে মারাঠা-বর্গীদের সঙ্গে সন্ধিচুক্তি করেন। এই সন্ধিচুক্তি অনুযায়ী তিনি উড়িষ্যার অধিকার ছেড়ে দেন। চুক্তির শর্তানুসারে মীর হাবিব নওয়াবের কর্মকর্তা হিসেবে পরিগণিত হবেন এবং উড়িষ্যায় নওয়াবের নায়েব নাজিম বা ডেপুটি গভর্নরের দায়িত্ব পালন করবেন; আলীবর্দী মীর হাবিবের জন্য উড়িষ্যায় ১২ লক্ষ টাকা চৌথ পাঠাবেন এবং প্রদেশের রাজস্বের উদ্বৃত্ত টাকা রঘুজীকে পাঠাবেন। এ চুক্তি অনুসারে ভবিষ্যতে আর কখনও যেন আলীবর্দীর এলাকায় হানাদার মারাঠাদের পদার্পণ না ঘটে মারাঠা সরকার সেই অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। কিন্তু ১৭৫২ সালের ২৪ আগস্ট মারাঠা সৈন্যদের হাতে মীর হাবিব নিহত হলে আলীবর্দী উড়িষ্যায় তাঁর নিয়ন্ত্রণ হারান এবং প্রদেশটিতে পুনরায় মারাঠাদের অধিকার প্রতিষ্ঠিত হয়।

আর তার মাত্র ৬ বছর পর ইংরেজদের করতলগত হয়ে যায় বাংলা । ওদিকে মারাঠা-বর্গীরা মুগলদের পরির্বতে নতুন এই শক্তির মুখোমুখি হতে হয়- যে শক্তিটি মুগলদের চেয়ে সহস্রগুণ চতুর খল ও শক্তিশালী।


তথ্যসূত্রঃ ১/সিয়ার উল মুখতারিন

২/বাংলাপিডিয়া

Share:

জনপ্রিয় অধ্যাপক ডা:আনোয়ার স্যার আর আমাদের মাঝে নেই!

অধ্যাপক ডা. আনোয়ার হোসেন স্যারের ইন্তেকাল।
চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের মাইক্রোবায়োলজি বিভাগের প্রাক্তন বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ডা.  আনোয়ার হোসেন আজ শুক্রবার ভোর ৬ টায় ইন্তেকাল করেছেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্নাইলাইহি রজিউন)।

তার মৃত্যুতে দেশবাসী শোকাহত৷
আল্লাহ তাকে জান্নাতবাসী করুন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারকে ধৈর্য ধারণের তৌফিক দিন, আমীন৷

উনি এতোটাই নির্ভুল রিপোর্ট তৈরী করতেন,
যা সবার কাছে গ্রহণযোগ্যতা পেয়েছিলো।

মেঘনা ল্যাবের আনোয়ার স্যারকে চিনেন না,
এমন লোক চট্টগ্রাম শহরে নেই। 
Share:

সাংঘাতিক ! এক ভূয়া ডাক্তার গ্রেপ্তার ! ভূয়া ডাক্তার সনাক্তকরণে বিএমডিসি রেজিষ্ট্রেশন যাচাই করুন

নিজেকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নিউরোমেডিসিন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক হিসেবে পরিচয় দেন। নামের পাশে লেখা এমবিবিএস (ডিএমসি), বিসিএস (স্বাস্থ্য), এফসিপিএস (মেডিসিন), এমডি (নিউরোলজি) ও এফআরসিপি (লন্ডন)। মুহাম্মদ খোরশেদ আলম নামের ভুয়া এই চিকিৎসককে গতকাল বুধবার ভ্রাম্যমাণ আদালত এক বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন।
খোরশেদ আলম মাগুরা সদর হাসপাতালের পাশে গ্রামীণ ল্যাব মেডিকেল সার্ভিসেস নামের রোগনির্ণয় কেন্দ্রে নিউরোমেডিসিন বিশেষজ্ঞ হিসেবে দুই মাস ধরে চিকিৎসা দিচ্ছিলেন। প্রতি বুধবার তিনি ঢাকা থেকে মাগুরায় এসে রোগী দেখতেন।
মাগুরার সিভিল সার্জন মুন্সী মো. সাদুল্লাহ বলেন, কিছুদিন আগে তাঁরা জানতে পারেন, খোরশেদ আলম চিকিৎসক নন। অষ্টম শ্রেণি পাস খোরশেদ ঢাকা মেডিকেলের ওয়ার্ডবয়। মিথ্যা পরিচয়ে চিকিৎসাসেবার নামে তিনি প্রতারণা করছেন।
সিভিল সার্জন বলেন, ‘খোরশেদ গতকাল বুধবার সকাল থেকে গ্রামীণ ল্যাব মেডিকেল সার্ভিসেসে রোগী দেখছিলেন। বিষয়টি জেলা প্রশাসককে জানাই। জেলা প্রশাসক তাৎক্ষণিকভাবে একজন নির্বাহী হাকিমকে পাঠান। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত তাঁকে এক বছরের কারাদণ্ড দেন। ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী হাকিম দীপক কুমার দেব শর্মা বলেন, ‘বেলা সাড়ে ১১টার দিকে গ্রামীণ ল্যাব মেডিকেল সার্ভিসেসে গিয়ে খোরশেদ আলমকে (৩৮) চিকিৎসাসেবা দিতে দেখি। তিনি নিজেকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নিউরোমেডিসিন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক হিসেবে দাবি করেন। তবে এর পক্ষে তিনি কোনো প্রমাণপত্র দেখাতে ব্যর্থ হন। বিসিএস (স্বাস্থ্য) ক্যাডারের কর্মকর্তা বলে দাবি করলেও তিনি সরকারি চাকরির আইডি নম্বর দেখাতে পারেননি। এ ছাড়া চিকিৎসাসেবা দেওয়ার জন্য বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিলের (বিএমডিসি) নিবন্ধন নম্বরও তাঁর ছিল না। তাঁর ব্যবহার করা একটি প্যাডে সহকারী অধ্যাপক এবং অন্যটিতে সহযোগী অধ্যাপক লেখা ছিল। পরে নিশ্চিত হওয়া গেছে, তিনি একজন ভুয়া চিকিৎসক। মিথ্যা পরিচয় দিয়ে চিকিৎসার নামে প্রতারণা করছেন। এ সময় ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে তাঁকে এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। পুলিশ তাঁকে কারাগারে পাঠায়। খোরশেদ আলমের দেওয়া তথ্যমতে, তিনি চট্টগ্রামের পাঁচশাইলের আবদুর রহিমের ছেলে।
গ্রামীণ ল্যাব মেডিকেল সার্ভিসেসের অন্যতম মালিক ও ব্যবস্থাপক মুহাম্মদ তুষার হোসেন বলেন, ‘দুই মাস ধরে খোরশেদ আলম তাঁর ডায়াগনস্টিক সেন্টারে চিকিৎসা দিচ্ছেন। রোগীপ্রতি তিনি ৫০০ টাকা করে ফি নিতেন। ফোনে আমরা তাঁকে কন্টাক্ট করেছি। তাঁর সম্পর্কে আমরা কিছু জানি না। শুধু জানি, তিনি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নিউরোমেডিসিন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক। এখন বুঝছি তিনি ভুয়া চিকিৎসক।’
মুহাম্মদ তুষার হোসেন জানান, তাঁদের রোগনির্ণয় কেন্দ্রের নিবন্ধন হয়নি। তবে আবেদন করেছেন,
ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার সময় সেখানে উপস্থিতি মাগুরা সিভিল সার্জনের কার্যালয়ের চিকিৎসা কর্মকর্তা সুব্রত কুমার বিশ্বাস বলেন, ‘আমরা খোঁজ নিয়ে জানতে পেরেছি, খোরশেদ ঢাকা মেডিকেল কলেজের ওয়ার্ডবয়। এর আগে কুমিল্লায় একটি রোগনির্ণয় কেন্দ্রে রোগী দেখতেন। ২০১৩ সালের ৪ সেপ্টেম্বর ভ্রাম্যমাণ আদালত সেখানে অভিযান চালিয়ে খোরশেদকে আটক করে। পরে ভুয়া চিকিৎসক হিসেবে তাঁকে ছয় মাসের কারাদণ্ড এবং ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
সুব্রত কুমার বিশ্বাস আরও বলেন, চিকিৎসাসেবার নামে এ ধরনের প্রতারণা অমার্জনীয় অপরাধ। ভুয়া ওই চিকিৎসক ধরা পড়ার পর সব ক্লিনিক, রোগনির্ণয় কেন্দ্রকে বহিরাগত চিকিৎসকদের নাম-পরিচয়ের কাগজপত্র সিভিল সার্জন কার্যালয়ে জমা দিতে নির্দেশ দেওয়া হবে।


ভূয়া ডাক্তার সনাক্ত করতে  নিচের বিএমডিসি লিংকে গিয়ে 
 রেজিষ্ট্রেশন নাম্বার দিয়ে সার্চ দিন । 
http://bmdc.org.bd/doctors-info/

যদি ঐ রেজিষ্ট্রেশন নাম্বার দিয়ে কোনো ডাক্তার খুঁজে না পান কিংবা ঐ নাম্বারে ভিন্ন আরেকজনের নাম , ছবি,ঠিকানা  দেখায় ! 

তাহলে বুঝে নিবেন ঐ ব্যক্তি ভূয়া ডাক্তার !!


 BMDC Registerd Doctor



Share:

বিজ্ঞানীদের মতে হোমিও প্যাথি ঔষুধ কোনো কাজ করে না

হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা অকার্যকর বলে জানিয়েছে অস্ট্রেলিয়ার একটি শীর্ষ স্থানীয় গবেষণা।    
১৮০০টিরও বেশি গবেষণাপত্র পর্যালোচনা করে তারা এই তথ্য জানিয়েছে বলে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে স্মিথসোনিয়ান ডট কম।
অস্ট্রেলিয়ার ন্যাশনাল হেলথ এন্ড মেডিকেল রিসার্চ কাউন্সিল বলেছে, গবেষণাপত্র গুলো থেকে এমন কোন প্রমাণ পাওয়া যায়নি যা থেকে বলা যায় হোমিওপ্যাথির মাধ্যমে শারীরিক অসুস্থতার প্রতিকার করা সম্ভব।    
নতুন গবেষণাটি বলছে, আধুনিক চিকিৎসার পরিবর্তে যারা ২০০ বছর পুরোনো এই বিকল্প চিকিৎসা পদ্ধতি- হোমিওপ্যাথি- গ্রহণ করছেন তারা মারাত্নক স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে রয়েছেন।

প্রতিবেদনে আরো বলা হয়, প্রায় চার মিলিয়ন আমেরিকান হোমিওপ্যাথি ঔষধ ব্যবহার করে। 
ন্যাশনাল হেলথ এন্ড মেডিকেল রিসার্চ কাউন্সিলের প্রধাণ আশাবাদ ব্যক্ত করে জানান, এই গবেষণা অস্ট্রেলিয়ার চিকিৎসা ব্যবস্থায় পরিবর্তন আনবে। 

তিনি আরো বলেন, কেউ কেউ হয়তো এই গবেষণাটিকে হোমিওপ্যাথির বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র বলে মন্তব্য করতে চাইবে।



-------------------------------------

Share:

তিন প্রফেই ফার্স্ট ও দশটা অনার্স পেয়েছিলেন মেধাবী ডাঃ রাফিদ আহমেদ


তিন প্রফেই ফার্স্ট হব দশটা অনার্স সহ, কখনো ভাবিনি। প্রফে যে ফার্স্ট হওয়া যায় এটাই জানতাম না।
মেডিকেলে আসার আগে অবশ্য কখনোই নিয়মিত ফার্স্ট হতাম না। স্কুলে ক্লাস সেভেন পর্যন্ত টানা ফার্স্ট হয়েছিলাম, তারপরে আর হইনি। আসলে ডিএমসি তে যারা আসে, তারা সবাই যে যার স্কুলে ফার্স্ট হওয়া, কিন্তু এখানে এসে সবাই কেমন যেন ঘুমিয়ে যায়। ভাবে এমনিতেই সব হয়ে যাবে। সেক্ষেত্রে আমি স্রোতের বিপরীতে ছিলাম, ডিএমসিতে এসে যতখানি পড়াশুনা করেছি, তেমনটা আগে কখনো করিনি।

প্রথম আইটেমটা আমার জন্য টার্নিং পয়েন্ট ছিল। দশে আট পেয়েছিলাম। জীবনে প্রথমবারের মতো মনে হয়েছিল, ভালো করা এতো সহজ! প্রথম পরীক্ষা ছিল থোরাক্স কার্ড। এই কার্ডেও ফার্স্ট হলাম। আমার মধ্যে উৎসাহ চলে আসল, এরপর আর পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। মেডিকেলের আর কোন পরীক্ষায় সেকেন্ড হই নাই, পরম করুণাময় আল্লাহর অশেষ রহমতে সবগুলো প্রফ সহ সব পরীক্ষায় ফার্স্ট হলাম।

একসময় মনে হতো, ফার্স্ট না হয়ে একটু সেকেন্ড থার্ড হই। হতে পারতাম না, ফার্স্টই হতাম। বিরক্ত লাগতো, কারন একটা সময়ের পর সবার প্রত্যাশাকে বোঝা মনে হত। পরীক্ষা দিতে গেলে সবাই বলতেন, তুমি তো ফার্স্ট, পরীক্ষা শুরুই হতো কঠিন প্রশ্ন দিয়ে।

আসলে সব পড়ুয়া স্টুডেন্ট ভালো স্টুডেন্ট হতে পারে না, কারণ পরীক্ষা দেয়াটাও একটা আর্ট। মেডিকেলের পরীক্ষাগুলো নাটকের মতো, পরীক্ষার্থী সেখানে অভিনেতা, রোগী সাইড অভিনেতা আর পরীক্ষক দর্শক। নাটক কোনটা দেখতে ভালো লাগে? যেটাতে সাউন্ড কম, সংলাপ একঘেয়ে, অভিনেতা সংলাপ ভুলে যায়, বার বার থেমে যায়, অপ্রাসংগিক কথা বলে, সেটা? না যেটাতে অভিনেতা তার অভিনয় দিয়ে প্রাণবন্ত করে তুলে, সেটা? ভালো করতে হলে তাই পরীক্ষা নামক নাটকের স্ক্রিপ্ট জানতে হবে। বার বার রিহার্স করতে হবে। প্রশ্নগুলো জানতে হবে, সিলেবাস জানতে হবে, কিভাবে ডেলিভারি করতে হয় জানতে হবে, পারফর্ম করতে হবে।

তবে তোমাকে জীবনে সবার সেরা হতে হবে, এমন কোন কথা নেই। বরং সহজ জীবনযাপন কর, জীবনে সুখী থাকো। এভারেস্টের চূড়ায় তোমাকে উঠতে হবে না, উঠে শান্তি পাবে না, দেখবে একা লাগছে। তারচেয়ে বন্ধুবান্ধব নিয়ে, পরিবার পরিজন নিয়ে রাঙামাটি ঘোরা অনেক ভালো। আমি বিশ্বাস করি একজন ডক্টর কখনো দেশের ভবিষ্যৎ হতে পারে না। পুরো দেশকে সেবা দিবে একটা ডাক্তার সমাজ। তাই অন্য ডাক্তারের প্রতি সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দাও, একটা সমাজ বানিয়ে ফেল। একা উঠে লাভ নেই, সবাইকে নিয়ে উঠো।

অর্থ অনর্থের মূল কিন্তু অর্থহীণতা আরো বড় অনর্থ ডেকে আনে। তাই এমবিবিএস পাশ করে কেউ বেকার থেকো না। টুকটাক কাজ করো। মেডিসিনের ডক্টরদের ক্রিটিকাল কেয়ারের কাজ জানলে অনেক সুবিধা। পোস্টগ্রাজুয়েশন  করো যত তাড়াতাড়ি সম্ভব। পোস্টগ্রাড শেষ করলে দেখবে তোমার স্যাররা তোমাকে উনাদের পাশে বসাবেন। উনাদের পাশে দাঁড়িয়ে সেলফি অনেকেই তুলতে পারবে, কিন্তু উনাদের পাশে বসার মতো যোগ্য হতে চাইলে দ্রুত পোস্ট গ্রাড কর।

আমার ইন্টার্নশিপ যেদিন শেষ হল, তার পরদিনই এক ডাক্তার বড়ভাইকে মারল ডি ইউ এর ছেলেরা। কষ্ট পেয়েছিলাম এই ঘটনায়, ভেবেছিলাম, দেশে থাকবো না। এম আর সি পি করলাম, কমনওয়েলথ স্কলারশিপ ও পেয়েছি। কিন্তু ইসমাইল স্যার, প্রাণগোপাল স্যার, দ্বীন মোহাম্মদ স্যার সবাই আমাকে জোর করলেন দেশে থেকে যাওয়ার জন্য। অনেকটা পথ পাড়ি দেয়ার পর এখন বুঝি, আমি জন হপকিন্সের প্রফেসরও হতে চাই না, ইংল্যান্ডের কন্সাল্ট্যান্টও হতে চাই না। আমার স্বপ্ন বাংলাদেশের মেডিসিনের অধ্যাপক হওয়া। এদেশে থাকতে চাই, এদেশের মেডিকেল স্টুডেন্টদেরকে পড়াতে চাই, এইটাই আমার স্বপ্ন।

I never thought I would stand first in all three professional examinations with honours in 10 subjects. In fact, I didn't know you could stand first in prof at all.

I never used to stand first consistently before coming to DMC. Though I was the first boy at school up to class seven, after that I never stood first. Actually all the first boys from different schools of the country end up in DMC, but after coming here, they all fall asleep. They lose interest and think that they will be doctors anyway, doesn’t matter if they study or not. But I was different. I studied harder than ever after coming here.

My first ever item was the turning point of my life. I got eight out of ten. For the first time in my life, I thought, it is so easy to get good marks! I stood first in thorax card too; it was my first official exam here. It made me like my studies even more. After that, I never looked back. I never stood second from then on. By the grace of Allah I stood first in every examination including all of the professional examinations.

Sometimes I wanted to stand second or third. But I used to stand first anyway. It annoyed me, the burden of expectation. Whenever I attended any exam, the examiners used to say,” you are the first boy”, and they used to start with difficult questions.

Not every studious student can be a good student, because attending an examination is an art itself. Examinations in medical science is more like a drama, where the student is an actor, the patient is a side actor, and teachers are the audience. Which Drama is more enjoyable? The one with faulty sound, monotonous irrelevant dialogue? or the one that the actor makes it lively with his acting? So you have to know the script of this drama and reharse it again and again. You have to know the questions, the syllabus, how to deliver the things you have studied and how to perform well.

But it is not necessary to be the best or the most successful person. Rather lead a simple life, be happy. You don't have to mount the Everest, even if you do, chances are that you will find yourself all alone there. Travelling Rangamati with friends and family is so much better than that. I believe a single doctor can never be the future of a country. We need thousands of doctors to serve the total population. So extend a helping hand to your fellow doctors, make it a community. It won't matter if you succeed alone, make it a group success.

It is said that money is the reason of all bad things, but I believe poverty brings out worse things in life. So don't stay unemployed once you have passed the MBBS examination. Work, even if it is not that big job you always wanted to do. Knowing the management of critical patients goes a long way for medicine specialist. Get a post graduation degree as early as possible. Once you have completed your post Graduation, you will find yourself sitting beside your teachers. Many students can take a selfie with their mentors and teachers but not everyone get to sit beside them. Complete your post graduation as soon as you can, so you can be worthy enough to sit beside them.

A senior DMCan was injured by some students of Dhaka University the day after I completed my internship. I was so hurt by this incident that I deciced to settle abroad. I completed my MRCP, got chosen for Common wealth Scholarship too. But Ismail sir, Prangopal sir, Din Mohammad sir everyone requested me to stay here at Bangladesh. After a long journey that I took, now I realize I don't want to be a professor of Jhon Hopkins's or a consultant in England. I want to live here in my country, treat the people here, teach the young to-be-doctors here. If u ask me if I have a dream, yes I do have one, my dream is to be a professor of medicine here in Bangladesh.

Dr. Rafid Ahmed
DMC K-65
Member of Royal College of Physicians of UK, London
Common wealth Scholar in UK 2017
MD Resident at NICVD
First in all professionals exam (Record honours  marks in 10 subjects).

-Courtesy - Human of DMC





Share:

টানা ২৪ ঘন্টা চিকিৎসা সেবা দিয়ে কার্ডিয়াক এ্যারেস্টে মারা গিয়েছিলেন বিখ্যাত ডা: লি জিং

হাসপাতালে বিশ্রামহীন টানা ২৪ ঘন্টা মানুষের সেবা করে কার্ডিয়াক  এ্যারেস্টে চির নিদ্রায় শায়িত বিখ্যাত ডা:লি জিং
Dr.Li Jing


A beloved doctor at one of China’s top hospitals has died of sudden cardiac arrest after working a 24-hour shift, prompting medical staff to question workers’ hours and staffing at the facility, Central European News (CEN) reported. Dr. Li Jing, 43, was the head of the emergency department at the Guangzhou Red Cross Hospital in Guangzhou, capital of south China’s Guangdong Province. According to CEN, Jing died at home with his wife after reportedly undergoing excess physical fatigue. Jing’s co-workers described him as a tireless worker who frequently logged overtime and would go out of his way to lighten co-workers’ loads. Yang Weiguang, one of Jing’s colleagues, said Jing put his head down on his desk in his office after his 8 a.m. to 8 a.m. shift ended, and that the doctor seemed feverish. But staffers didn’t express concern over the doctor’s tiredness as the symptom wasn’t uncommon among any of the workers. “It was very sudden,” Weiguang told CEN. “He was in such good health, and he loved sports. It’s sad to see a doctor with 21 years of experience go like that." Weiguang noted that Jing had led the hospital during outbreaks of SARS, dengue fever and the avian flu. He said colleagues will remember him as a modest and hardworking man. "I believe the reason for this tragedy is that hospitals are too often understaffed,” Weiguang added. “There is not enough manpower to handle the work and to allow doctors to rest."

Read more at: https://forum.facmedicine.com/threads/er-doctor-dies-of-cardiac-arrest-after-working-24-hour-shift.22186 

http://www.foxnews.com/health/2015/07/02/er-doctor-dies-cardiac-arrest-after-working-24-hour-shift.html
Share:

আমারই মনে হচ্ছে, ডাক্তারদের দেশ ছাড়ার সময় এসে গেছে ভাই...


আমি পৃথিবীর চরম optimistic লোকদের একজন।পা কেটে দিলেও গড়িয়েগড়িয়ে চলার সাহস রাখি ইনশাহআল্লাহ।
আমারই মনে হচ্ছে,দেশ ছাড়ার সময় এসে গেছে ভাই।
বুয়েটিয়ানরা এই কাজটা বহু আগেই শুরু করেছে।আমরা ডাক্তাররাই বলদ রয়ে গেলাম।
বলদ বদল হোক।
কেন দেশ(বিশেষত চিকিৎসকরা) ছাড়বেন:
আমাদের দেশের অনেকে অভিযোগ করে বলে - "বাংলাদেশ থেকে যেসব মেধাবী বিদেশ যায়, তারা আর ফিরে আসে না। তারা দেশে আসলে না জানি দেশ কত উন্নত হইতো".।
আমেরিকার সেরা গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজিস্ট বাংলাদেশী। এটা শুনেই পুলকিত হই। কিন্তু তার মর্যাদা এই দেশ দিতে পারবে না। তার যোগ্য সম্মান দিতে পারবে না, তার রিসার্চ সুযোগ এই দেশ দিতে পারবে না। আমেরিকাতে পাবলিক হেলথ প্রফেসর সেজান মাহমুদ। তারও একি অবস্থা। আমেরিকায় তিনি উত্তরোত্তর সম্মান পাচ্ছেন।
কানাডার ওয়েস্টার্ন ওন্টারিও ইউনিভার্সিটির প্রেসিডেন্ট অমিত চাকমা বাংলাদেশি। তিনি ওই দেশের সেরা কেমিকেল ইঞ্জিনিয়ার। হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটি কাঁপানো ছাত্র ছিলেন। এই দেশে থাকলে হয়তো তারে সরকার দয়া করে উপজাতি কোটায় একটা চাকুরী দিত কি না সন্দেহ। কিন্তু দেশ ছেড়েই বিশ্ব জয় করেছেন।
সাউথ অস্ট্রেলিয়ার বিখ্যাত ডাক্তার মোহাম্মদ আহমেদুল্লাহ। তিনিও যদি দেশে আসেন। কসাই ধাক্কা খেয়ে কয় দিন টিকতে পারতেন উপরওয়ালা ভালো জানেন।
উল্টাটা করেছিলেন চিটাগাং ভার্সিটির প্রফেসর জামাল নজরুল ইসলাম স্যার। ১৯৮৪ সালে কেম্ব্রিজ ইউনিভার্সিটির সোয়া লাখ বেতনের চাকুরী ছেড়ে চিটাগাং ভার্সিটিতে তিন হাজার টাকা বেতনে জয়েন করেছিল। কি লাভ হয়েছে জামাল স্যারের। তার মাহত্ব্য ভুলে গেছে সবাই। কিন্তু তার রুমমেট ছিলেন স্টিফেন হকিংস। হকিংসকে সারা দেশ চিনলেও জামাল স্যারের নাম ১% মানুষও জানে না।
প্রফেসর জামিলুর রেজা চৌধুরী স্যারকে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল - স্যার, দেশের মেধা তো সব পাচার হয়ে যাচ্ছে, এর জন্য কিছু কি করা যায় না?? স্যার শুধু একটাই উত্তর দিয়েছিলেন - "Brain Must be Drained, otherwise it will be in the Drain".
জনৈক কবি বলেছিলেন,
"রোগী কিংবা চিকিৎসক সবাই যাবে বিদেশ,
পরে রইবে দালাল ঘেরা হতভাগা স্বদেশ "
আফসোস লাগে এদেশের অনেক মেধাবী ব্রেইনের জন্য যা ড্রেনে পড়ে হাবুডুবু খাচ্ছে।
যে দেশে গুনির কদর নাই সে দেশে গুনি জন্মায় না-ড. শহীদুল্লাহ
ভুলক্রমে জন্মিলেও অকালে মরিয় যায়-ডা.হুদা


লেখা- রোদ্দুর ডা.নূরুল হুদা খান



--------------------------------------------


Share:

ডাক্তার-নার্সদের অক্লান্ত পরিশ্রম যা মিডিয়ায় আসে না


জাতীয় হৃদরোগ ইন্সটিউটের সিসিউতে ভয়ানক কয়েক ঘন্টা।
বুধবার রাত ১১ টা।
হঠাৎ করে হাসপাতালের সিসিইউ রুমের গেটের দিকে শোরগোল। দ্রুত ট্রলি নিয়ে ছুটলেন কয়েকজন সেদিকে। তাতে তুলে আনা হল মাঝবয়েসি এক যুবককে। পরনের জামা-কাপড় দেখে বুঝা গেল দরিদ্র ঘরের সন্তান। হার্ট অ্যাটাক করেছে তার। মৃত্যুর একেবারে কাছাকাছি সে। ডাঙায় পড়ে যাওয়া পুটি মাছের মতো তরপাচ্ছিল সে। বাঁচবে যে, তেমন আশাও নেই।
ইতোমধ্যে স্বজনরাও মহাকান্নাকাটি শুরু করে দিয়েছে। নার্স-ডাক্তাররা কয়েকজন রুম থেকে বের করে দিলেন সেই স্বজনদের। এরপর যা শুরু হল, তা দেখে একজন সুস্থ্য মানুষও অজ্ঞান হবার দশা। একজন জওয়ান পুরুষ নার্স তার বুকের ওপর ইয়া শব্দ করে আঘাত শুরু করলেন। একজন সুস্থ মানুষকে ওভাবে আঘাত করলে সে নির্ঘাত দম বন্ধ হয়ে মারা যেতো।
যাই হোক, এই ধুরুমধারুম আঘাত চলল মিনিট দশেক। এরপর কাজ না হওয়াতে নিয়ে আসা হল কাপড় ইস্ত্রি করার মতো দুটি শক দেবার যন্ত্র। এই জিনিস আমি শুধু সিনেমাতেই দেখেছি। এরপর সেটি দিয়েও চলল ‘’নির্যাতন’’। একদিকে যমে টানছে যুবককে, আরেক দিকে বাংলাদেশের হাসপাতালের কয়েকজন অসহায় নার্স। তাদের নেতৃত্বে একজন ডাক্তার।
এ কাজ করতে গিয়ে ঘেমে নেয়ে একাকার সবাই। বাইরে পাল্লা দিয়ে চলল যুবকটির পরিবারের কান্না।
আমি অনেক শক্ত মানসিকতার মানুষ। কিন্তু তারপরও বারবার ভেতরে ভেতরে চুরমার হচ্ছিলাম। কিন্তু বুঝতে দিচ্ছিলাম না। কারণ আমার পাশেই আমার নিজের রোগি আছে। তিনি আমার শ্বাশুড়ি। তিনি যদি বুঝতে পারেন আমার নিজেরই এই অবস্থা, তিনি ভেঙে পড়বেন। তাকে সাহস যোগালাম।
এদিকে শুনতে পেলাম নার্সরা বলাবলি করছে, এ যাত্রা বেঁচে গেলো ছেলেটি। আমিও স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেললাম।
আমি তখন চিকিৎসক ভলান্টিয়ার দলটির দিকে তাকালাম। দেখলাম সবার মুখে বিজয়ের হাসি চিকচিক করছে। মনে হচ্ছিল তারা এই মাত্র এভারেস্টের চূড়া জয় করে ভোরের তাজা আলোর আভা সারা মুখে মেখেছে। জানতে পারলাম এভাবেই সারারাত ধরে নতুন কোনো রোগির সেবায় দৌড় শুরু করে তারা।
[আমরা যারা প্রতিদিন মজা করে ঘুমাই, ঠিক সেই মূহুর্তে রাজধানীর জাতীয় হৃদরোগ ইন্সটিটিউটের সিসিইউতে প্রতি রাতে চলে জীবন-মৃত্যু নিয়ে ’’দরকষাকষির এই খেলা’’। প্রতিরাতে গড়ে কমপক্ষে চারজন মারা যায়। আমরা কখনো কখনো সে কথা পত্রিকায় পড়ি। কিন্তু আমাদের ডাক্তার-নার্সদের অক্লান্ত পরিশ্রমে যে আরও ২০/৩০ জন বেঁচে যায়, তাদের কথা কীভাবে যেন পত্রিকার পাতায় ঠাঁই পায় না।]

লেখা - লুৎফুর রহমান হিমেল

নিউজ এডিটর - বাংলাদেশ প্রতিদিন






Share:

মাগুরায় ছয় দিন ধরে চিকিৎসক নিখোঁজ..


নিখোঁজের ছয় দিন পরও মাগুরার শ্রীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের (দারিয়াপুর) চিকিৎসক সুমন কুমার সিকদারের (২৮) সন্ধান মেলেনি। গত সোমবার বিকেল থেকে তিনি নিখোঁজ রয়েছেন।
সুমনের বাবা মাগুরা সদর উপজেলার বেঙ্গা গ্রামের সুকুমার সিকদার বলেন, সুমন ২০১৪ সালে ওই হাসপাতালে চিকিৎসক হিসেবে যোগ দেয়। অবিবাহিত সুমন মাগুরা শহরের কলেজপাড়ায় একাই ভাড়া বাসায় থাকত। গত সোমবার বিকেলে কর্মস্থল (শ্রীপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স) থেকে সে ভাড়া বাসায় ফিরে আসে।
সুকুমার শিকদার বলেন, পাশের বাসার ভাড়াটেরা তাঁদের জানিয়েছেন, সুমন বাসায় আসার কিছুক্ষণ পর আবার বের হয়ে যান। এরপর থেকে গত ছয় দিন যাবৎ তিনি নিখোঁজ রয়েছেন। তবে তাঁর মুঠোফোনটি ভাড়া বাসায় পাওয়া গেছে।
সুমনের বাবা আরও বলেন, গত কয়েক দিন তাঁরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজ করে সুমনের সন্ধান পাননি। তবে সে বিভিন্ন সময় দুশ্চিন্তাগ্রস্ত থাকত। এ ব্যাপারে সুমনের বাবা মঙ্গলবার সদর থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন।
সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আজমুল হুদা বলেন, তাঁদের ধারণা, সুমন সিকদার স্বেচ্ছায় নিরুদ্দেশ হয়েছেন। কারণ তাঁর মুঠোফোন, ব্যাগ সবই বাসায় রয়েছে।
মাগুরার সিভিল সার্জন এফ বি এম আবদুল লতিফ সাংবাদিকদের বলেন, সুমন সিকদার সর্বশেষ গত সোমবার কর্মস্থলে গিয়েছিলেন। তারপর থেকে তিনি অনুপস্থিত রয়েছেন।
Share:

আমেরিকায় নারী চিকিৎসকের কাছে রোগী সুস্থ হয় বেশি

হাসপাতালে নারী চিকিৎসকের কাছে রোগী সুস্থ হওয়ার হার বেশি। তাঁদের কাছে সেবা পাওয়া রোগীর মৃত্যুঝুঁকিও কম। যুক্তরাষ্ট্রের হার্ভার্ড টি এইচ চ্যান স্কুল অব পাবলিক হেলথের গবেষণায় এ তথ্য পাওয়া গেছে।

২০১১ থেকে ২০১৪ সালের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হওয়া ১০ লাখের বেশি রোগীর ওপর এ গবেষণা হয়েছে। এতে দেখা গেছে, রোগীরা নারী চিকিৎসকের সেবা পেলে তাঁদের মৃত্যুঝুঁকি পুরুষ চিকিৎসকদের সেবা পাওয়া রোগীর তুলনায় ৪ শতাংশ কম। আবার সেবা নিয়ে চলে গেছেন
তাঁদের হাসপাতালে পুনরায় ভর্তি হওয়ার হার ৫ শতাংশ কম।

গবেষকেরা বলছেন, নারী ও পুরুষ চিকিৎসকের সেবার পার্থক্যের কারণে ফলাফলে কী ভিন্নতা আসে তা নিয়ে সম্ভবত এটাই প্রথম কোনো গবেষণা। গবেষণাটি গতকাল সোমবার আমেরিকান মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনের সাময়িকী জেএএমএ ইন্টারন্যাল মেডিসিনের অনলাইন সংস্করণে ছাপা হয়েছে।

গবেষণার আওতায় থাকা রোগীদের বয়স ছিল ৬৫ বছর বা তার বেশি। এঁদের মধ্যে অনেকেই ছিলেন মারাত্মক অসুস্থ। এঁদের চিকিৎসা দিয়েছিলেন ৫৮ হাজার ৩৪৪ চিকিৎসক। এঁদের মধ্যে ১৮ হাজার ৭৫১ জন (৩২.১ শতাংশ) ছিলেন নারী চিকিৎসক। নারী চিকিৎসকদের বয়স ছিল তুলনায় কম, এঁদের অনেকেরই অস্থির চিকিৎসায় প্রশিক্ষণ ছিল। এঁরা পুরুষের তুলনায় কম রোগীকে চিকিৎসা দিয়েছিলেন।

এ গবেষণার ফলাফল নিয়ে এই প্রতিবেদক বাংলাদেশে চিকিৎসা ও রোগী ব্যবস্থাপনার সঙ্গে যুক্ত চারজন বিশেষজ্ঞের সঙ্গে কথা বলেছেন।

জাতীয় ক্যানসার গবেষণা ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের মেডিকেল অনকোলজি বিভাগের চিকিৎসক অধ্যাপক পারভিন শাহিদা আখতার বলেন, ইউরোপভিত্তিক ক্যানসার চিকিৎসকদের সংগঠন (ইসমো-ইউরোপিয়ান সোসাইটি অব মেডিকেল অনকোলজিস্ট) দাবি করে ক্যানসার চিকিৎসায় পুরুষের তুলনায় নারী চিকিৎসকের কাজের ফল ভালো। এর কারণ, নারী চিকিৎসক রোগীর ব্যাপারে বেশি সহানুভূতিশীল, বেশি মনোযোগ দিয়ে রোগীর কথা শোনেন, রোগীকে বেশি সময় দেন। নিজের কাজের অভিজ্ঞতা বর্ণনা করে তিনি বলেন, ‘মাঝেমধ্যে আমি রোগী নেফ্রোলজি বা হৃদ্‌রোগ বিশেষজ্ঞের কাছে পাঠাই (রেফার)। রোগীরা ফিরে এসে মহিলা ডাক্তারদের কথাই ভালো বলেন, মহিলা ডাক্তারের কাছেই পাঠাতে বলেন।’

অধ্যাপক প্রাণ গোপাল দত্ত নাক-কান-গলার বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক। দুই দফায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, ‘গবেষণা ফলাফলের সঙ্গে আমি ১০০ ভাগ একমত। নারী চিকিৎসকদের আন্তরিকতা বেশি, কাজে ফাঁকি কম দেয়, ধান্দা কম। এগুলো রোগী সুস্থ হয়ে ওঠার ওপর প্রভাব ফেলে।’

বেসরকারি ইউনাইটেড হাসপাতালের পরিচালক (কমিউনিকেশন অ্যান্ড বিজনেস ডেভেলপমেন্ট) শাগুফা আনোয়ার বলেন, ‘নারী চিকিৎসকেরা সময়মতো রোগীর পাশে থাকে। রোগীর ডকুমেন্টেশন ভালো করে। যত্ন নিয়ে রোগীর কাউন্সেলিং করে। ফাঁকি কম দেয়, অজুহাত কম দেয়। এসব গুণ অবশ্যই রোগীর সেরে ওঠার ওপর প্রভাব ফেলে।’

তবে এ বিষয়ে কিছুটা ভিন্নমত দিয়েছেন বিএসএমএমইউর মেডিসিন অনুষদের ডিন অধ্যাপক এ বি এম আব্দুল্লাহ। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমাদের দেশের প্রেক্ষাপটে এ ব্যাপারে মতামত দেওয়া মুশকিল। একজন চিকিৎসক রোগীকে কতটা সুস্থ করতে পারবেন তা নির্ভর করে তিনি নিজেকে কতটা দক্ষ করে তুলতে পেরেছেন তার ওপর। এ ক্ষেত্রে যোগ্যতাই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।’

যুক্তরাষ্ট্রের এই গবেষণায় এটা চিহ্নিত করা যায়নি যে কেন নারী চিকিৎসকদের ক্ষেত্রে ভালো ফল পাওয়া যায়। তবে তাতে বলা হয়েছে, আগে একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে নারী ও পুরুষ চিকিৎসকদের মধ্যে পেশা চর্চায় ভিন্নতা আছে। নারী চিকিৎসকেরা নির্দেশিকা মেনে পেশা চর্চায় অধিকতর অবিচল থাকেন। এ ছাড়া তাঁরা প্রতিরোধমূলক সেবাও বেশি দেন। বর্তমান গবেষণা থেকে সেবার মান উন্নত করার মতো বিষয় পাওয়া যাবে বলে গবেষকেরা ধারণা করছেন
Share:

ব্যবস্থাপত্র ছাড়া অ্যান্টিবায়োটিক বিক্রি নয় !!

মন চাইলেই যাঁরা উচ্চমাত্রার অ্যান্টিবায়োটিক কেনেন ও বিক্রি করেন—তাঁদের জন্য দুঃসংবাদ। নতুন ওষুধনীতিতে জ্বর, সর্দি, মাথা ও পেটব্যথার মতো রোগের ওষুধ ছাড়া অন্য কোনো ওষুধ আর চিকিৎসকের ব্যবস্থাপত্র ছাড়া পাওয়া যাবে না।
অ্যান্টিবায়োটিক, হরমোনজনিত সমস্যার ওষুধ, ঘুমের ওষুধের মতো স্পর্শকাতর ওষুধ বিক্রির ক্ষেত্রে জাতীয় ওষুধনীতি ২০১৬-তে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে।

সোমবার মন্ত্রিসভায় জাতীয় ওষুধনীতি ২০১৬-এর খসড়া নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। সোমবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে সচিবালয়ে মন্ত্রিসভার বৈঠকে এই খসড়া নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ওষুধপ্রযুক্তি বিভাগের অধ্যাপক আ ব ম ফারুক প্রথম আলোকে বলেন, বাজারে প্রায় ১ হাজার ৩০০ ধরনের জেনেরিক ওষুধ আছে, এর মধ্যে ৩৯টি জেনারের ওষুধ চিকিৎসকের ব্যবস্থাপত্র ছাড়া বিক্রির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

জাতীয় ওষুধনীতি প্রণয়ন উপকমিটির আহ্বায়ক আ ব ম ফারুক আরও জানান, বাজারে ৩৯টি জেনারের প্রায় দুই হাজার ওষুধ রয়েছে।

অ্যান্টিবায়োটিকের যথেচ্ছ ব্যবহারের কারণে ওষুধ কার্যকারিতা হারাচ্ছে এবং সহজে রোগ সারছে না। এই প্রেক্ষাপটেই দীর্ঘদিন ধরে পরামর্শপত্র ছাড়া অ্যান্টিবায়োটিক বিক্রি নিষেধাজ্ঞার দাবি জানিয়ে আসছিলেন জনস্বাস্থ্যকর্মীরা।

নতুন ওষুধনীতিতে ওষুধের যৌক্তিক ও নিরাপদ ব্যবহারে বেশ কিছু পদক্ষেপের কথা বলা হয়েছে। আরও বলা হয়েছে, দেশে পর্যায়ক্রমে সব সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে স্নাতক ফার্মাসিস্টের প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে ওষুধের কেনাবেচা হবে। এ ছাড়া ১০০ বা তার বেশি শয্যাবিশিষ্ট সব সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে অ্যান্টিবায়োটিকের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করতে নিজস্ব ‘অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার নির্দেশিকা’ থাকতে হবে, নিয়মিত হালনাগাদ করতে হবে এবং চিকিৎসাসেবা দেওয়ার সময় তা মানতে হবে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।

নতুন ওষুধনীতিতে জাতীয় ওষুধ নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষ গঠনের প্রস্তাব করা হয়েছে। এর লক্ষ্যে হলো নকল, ভেজাল ও নিম্নমানের ওষুধ তৈরি ও বিপণন রোধ করা।
খসড়ায় বলা হয়েছে, মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ উৎপাদন ও বিক্রি শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হবে। আইনে শাস্তি নির্ধারণ করা হবে। নীতিমালা অনুযায়ী ওষুধের মূল্য নির্ধারণ করা হবে। জনস্বার্থে দাম নির্ধারণ করে তা ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে। কেউ বেশি দাম নিলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ ব্যাপারে ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের পরিচালক রুহুল আমিন বলেছেন, ওষুধ যেন যথেচ্ছভাবে কেনাবেচা না হয়, সেজন্য নজরদারি বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

বৈঠক শেষে এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম বলেন, বিশ্বের ১২২টি বাংলাদেশ ওষুধ রপ্তানি করে। বিশ্বের বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সদন ও স্বীকৃতি লাভ করেছে বাংলাদেশের ওষুধ। তিনি বলেন, প্রায় ১১ বছর পর আন্তর্জাতিক চাহিদার বিষয়টি মাথায় রেখে নীতিমালাটি যুগোপযোগী করা হয়েছে।

বৈঠকে নজরুল ইনস্টিটিউট, জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ আইন এবং কস্ট অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট অ্যাকাউন্টস আইনের খসড়া অনুমোদন দেওয়া হয়েছে









------------------------------

Share:

ক্যানসার গবেষণায় বাংলাদেশি বিজ্ঞানীরসাফল্য

বর্তমান সময়ে সম্ভবত ক্যানসার সবচেয়ে আলোচিত ও ভীতিকর রোগ। ক্যানসার নিয়ে মানুষের মধ্যে রয়েছে অনেক অজ্ঞতা ও অসচেতনতা। মানবদেহে বিভিন্ন ধরনের ক্যানসার হতে পারে। সকল ক্যানসারের ভয়াবহতা ও পরিণতি এক নয়। ক্যানসার যদি খুব শুরুতেই শনাক্ত (early diagnosis) করা যায় তাহলে এর চিকিৎসা অনেক সহজ হয়ে যায়। আর এ থেকে মুক্তির সম্ভাবনাও বেড়ে যায় বহু গুনে। ক্যানসার শনাক্ত করার জন্য আমরা বিভিন্ন পদ্ধতি ব্যবহার করি। শনাক্তকরণ প্রক্রিয়ায় প্রচলিত এসব পদ্ধতিগুলোর রয়েছে নানাবিধ সীমাবদ্ধতা। তাই প্রাথমিক পর্যায়ে (early stage) ক্যানসার শনাক্তকরণের সহজ ও অধিক কার্যকরী (more efficient) পদ্ধতি উদ্ভাবনের কাজে নিয়োজিত আছেন গবেষকেরা। বাংলাদেশের সন্তান ড. মো. জসিম উদ্দিন চিকিৎসা বিজ্ঞানের তেমনই একটি বিষয়ে গবেষণা করছেন আমেরিকার ভ্যান্ডারবিল্ট বিশ্ববিদ্যালয়ে (Vanderbilt University)।
ক্যানসারের প্রাথমিক পর্যায়েই আক্রান্ত কোষগুলোতে কক্স-২ (COX-2) নামক একটি এনজাইমকে অতিমাত্রায় উপস্থিত থাকতে দেখা যায়। মো. জসিম উদ্দিন ও তাঁর গবেষণা দল বিশেষ আলোক সংবেদী কিছু রাসায়নিক যৌগ আবিষ্কার করেছেন। যেগুলো নির্দিষ্টভাবে (Selectively) কক্স-২ এনজাইমের সঙ্গে যুক্ত হয়ে শুধুমাত্র ক্যানসার আক্রান্ত কোষগুলোকে শনাক্ত করতে সক্ষম। বিষয়টিকে জোনাকি পোকার সঙ্গে তুলনা করুন। অন্ধকারে যখন জোনাকি পোকারা জ্বলে ওঠে, তখনই এদের উপস্থিতি টের পাওয়া যায়। পেটেন্টেড (Patent No. US 2010 / 0254910) এই রাসায়নিক যৌগগুলোর একটি ফ্লোরকক্সিব এ (Fluorocoxib A) নামে পরিচিত। প্রাণীর দেহে প্রবেশ করানোর পর এটি কক্স-২ এনজাইমের সঙ্গে যুক্ত হয়ে তীব্রভাবে জ্বলে ওঠে। আক্রান্ত কোষগুলোতে খুব সামান্য পরিমাণে কক্স-২ এনজাইম উপস্থিত থাকলেও সেগুলোকে সহজেই শনাক্ত করা যাচ্ছে। তার এই আবিষ্কার ২০১০ সালে প্রকাশিত হয়েছে একটি আন্তর্জাতিক মেডিকেল জার্নালে (Cancer Research, 2010, 70,3618-3627)। উদ্ভাবনের খবর উঠে আসে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে। নানান সম্মানের পাশাপাশি, এই সফলতার স্বীকৃতিস্বরূপ ২০১৩ সালে তিনি ওমিক্স (Omics International) গ্রুপের রিকগনিশন সনদও লাভ করেন। খুব শিগগিরই এই প্রযুক্তিটি মানবদেহে প্রয়োগের আশা করছেন তিনি। যেটি তার দীর্ঘদিনের আকাঙ্ক্ষা। এই যৌগ দিয়ে ত্বক (skin), মূত্রথলি (bladder), অন্ননালি (esophageal) ও কোলন (colon) ক্যানসার খুব প্রাথমিক পর্যায়ে শনাক্তকরণ সম্ভব বলে তিনি মনে করেন।

মো. জসিম উদ্দিনের জন্ম নোয়াখালীর বাটইয়া গ্রামে। তিনি হাজি মো. হানিফ উদ্দীন ও বেগম সাফিয়া খাতুনের প্রথম সন্তান। তার শৈশব ও বেড়ে ওঠা ঢাকার জিগাতলায়। ঢাকার রাইফেলস পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা শেষে তিনি ভর্তি হন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগে। অধ্যাপক গিয়াস উদ্দিন আহমেদের কাছে তাঁর গবেষণার হাতেখড়ি। বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠ শেষে জসিম উদ্দিন কর্মজীবন শুরু করেন বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস কোম্পানির অ্যান্টিবায়োটিক প্ল্যান্টে। পরে ১৯৯৭ সালে জাপান সরকারের মনবুসো (Monbusho) বৃত্তি নিয়ে চলে যান জাপানের শিনসু বিশ্ববিদ্যালয়ে (Shinshu University)। সেখানে ডক্টরাল গবেষণা করেছেন অধ্যাপক আইওয়াও ইয়ামমোটোর (Professor Iwao Yamomoto) সঙ্গে। তারপর আলবার্টা হেরিটেজ ফাউন্ডেশনের বৃত্তি নিয়ে কানাডার আলবার্টা বিশ্ববিদ্যালয়ে (University of Alberta) পোস্ট ডক্টরাল গবেষণা করেন। অবশেষে ফ্যাকাল্টি হিসেবে গবেষণা শুরু করেন ভ্যান্ডারবিল্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণরসায়ন বিভাগে। বর্তমানে সেখানেই তিনি সহযোগী অধ্যাপক (গবেষণা) হিসেবে কর্মরত আছেন।
বাংলাদেশে গবেষণার অবস্থা তাঁকে ব্যথিত করে। বলেন, বাংলাদেশে অফুরন্ত মেধা ও সম্ভাবনা থাকা সত্ত্বেও বিজ্ঞানের মৌলিক ও অপরিহার্য বিষয়ে কোনো উন্নতমানের গবেষণা এখনো চোখে পড়ছে না। পিএইচডি ডিগ্রি ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগ প্রসঙ্গেও হতাশা প্রকাশ করলেন। বললেন, স্বাধীনতা-উত্তর সময়ে দেশে উচ্চ শিক্ষিতের হার অনেক কম ছিল। তখন শিক্ষক নিয়োগে পিএইচডি ডিগ্রিধারী প্রার্থী পাওয়া যেত না। কিন্তু এখন পরিস্থিতি অনেক বদলেছে। এখনো সেই নিয়ম ধরে রাখার প্রয়োজনীয়তা নেই বলেই তিনি মনে করেন।
ফ্লোরকক্সিব-এশিক্ষার্থী ও গবেষকেরা যেন দেশেই করতে পারে উন্নতমানের গবেষণা সে জন্য সম্মিলিত প্রচেষ্টার কথা বললেন। প্রবাসে থেকেও বাংলাদেশে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে গবেষণা নিয়ে সহযোগিতা করতে তিনি আগ্রহী। দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে গবেষণায় বিনিয়োগের জন্য সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের এগিয়ে আসা উচিত বলে তিনি মনে করেন। স্বপ্ন দেখেন, একদিন বাংলাদেশ থেকেই বেরিয়ে আসবে রসায়ন ও চিকিৎসা শাস্ত্রসহ বিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয়ে নোবেল বিজয়ী বিজ্ঞানী।
প্রতিনিয়তই বাংলাদেশের কথা মনে পড়ে তাঁর। দেশে যোগাযোগ হয় নিয়মিত। সুযোগ পেলেই দেশে যান। এক ছেলে, এক মেয়ে ও স্ত্রী নিয়ে সংসার। গবেষণা, শিক্ষকতা আর জীবন-সংসারের রসায়ন নিয়ে কেটে গেছে বহু বছর। মানব কল্যাণে তাঁর গবেষণা অবদান রাখবে, সর্বশক্তিমানের কাছে এটুকুই চাওয়া। তাঁর গবেষণা নিয়ে বিস্তারিত জানতে তাঁর ওয়েবসাইট দেখতে পারেন: <https://goo.gl/g68Vja>

*ড. রউফুল আলম, গবেষক, ইউনিভার্সিটি অব পেনসিলভানিয়া, ফিলাডেলফিয়া, যুক্তরাষ্ট্র। ই-মেইল: redoxrouf@yahoo. com
















----------------------------

Share:

লক্ষ্মীপুরের ডাঃ ইকবাল মাহমুদ ঢাকা থেকে অপহৃত


লক্ষীপুরের ডাঃ ইকবাল মাহমুদ ঢাকা থেকে অপহৃত হওয়ার খবর জানিয়েছে তার পরিবার। শুক্রবার লক্ষ্মীপুর থেকে রয়েল বাস সার্ভিসে করে ঢাকা যায় ডাঃ ইকবাল মাহমুদ। সে ঢাকার বঙ্গবন্ধু মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এনেসথেসিয়ার উপর টেনিং করছিল। বঙ্গবন্ধু মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এনেসথেসিয়ার উপর টেনিং উপলক্ষ্যে লক্ষ্মীপুরের বাসা থেকে রয়েল বাস সার্ভিসে করে ঢাকা যায়।

ঢাকায় গিয়ে সাইন্স ল্যাবরেটরী এলাকায় বাস থেকে নামে। এ সময় ঐ স্থানে থাকা সাদা একটি মাইক্রোবাসে তাকে অজ্ঞাত লোকজন তুলে নিয়ে যায়। ডাঃ ইকবাল মাহমুদ লক্ষ্মীপুর হাসপাতাল রোডস্থ ১৯৯ বকুল কটেজে তার নিজস্ব বাসা ও মুক্তিযোদ্ধা এ কে এম নুরুল আলমের ছেলে।

তার পিতা এ কে এম নুরুল আলম জানান, ডাঃ ইকবাল লক্ষ্মীপুরের বাসা থেকে শুক্রবার রাত ১০টার সময় রওনা করে শনিবার ভোর রাত সাড়ে তিনটায় সাইন্স ল্যাবরেটরী এলাকায় পৌঁছে গন্তব্যে যাওয়ার সময় কে বা কাহারা তাকে উঠিয়ে নিয়ে যায়। খবর পেয়ে আমি ঢাকায় পৌঁছে বিভিন্ন জায়গায় খোঁজ নিয়ে এ পর্যন্ত কোন সন্ধান পায়নি।

সে ছাত্র জীবন থেকে কোন রাজনৈতিক দলের সাথে জড়িত ছিলনা। তবে তাবলিগ জামাতে সাথে জড়িত। সে ২৮তম বিসিএস এ উত্তীর্ণ হয়ে মেডিকেল অফিসার হিসেবে স্বাস্থ্য বিভাগের মহাখালীতে কর্মরত ছিল। সে লক্ষ্মীপুরে ভালো চিকিৎসক হিসেবে ব্যাপক পরিচিতি লাভ করে। তার নিখোঁজের খবরে লক্ষ্মীপুরে ডাক্তারসহ সকল পেশার মানুষ উদ্বেগ, উৎকন্ঠার মধ্যে আছে।
Share:

‘বৃদ্ধ বাবা-মা থেকে আলাদা হতে চাইলে স্ত্রীকে তালাক দিতে পারবে স্বামী’


বাবা-মায়ের থেকে ছেলেকে আলাদা করতে চাইলে স্ত্রী’কে ডিভোর্স দিতে পারবেন হাজব্যান্ড। ভারতের সুপ্রিম কোর্টের হিন্দু বিবাহ আইনে এই বিধান জারি করা হয়।
বৃহস্পতিবার একটি ঐতিহাসিক রায়ে সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি জাস্টিস অনিল দাভে এবং জাস্টিস এল নাগেশ্বর বলেন, বৃদ্ধ এবং ছেলের ওপর নির্ভরশীল বাবা-মায়ের থেকে স্বামীকে নিয়ে আলাদাভাবে বসবাস করতে জোর করলে বিবাহবিচ্ছেদের মামলা করতে পারেন স্বামী।
১৪ পাতার রায়ে বিচারপতিদ্বয় বলেন, ‘পশ্চিমা সভ্যতার সঙ্গে ভারতীয় সংস্কৃতি এবং রাজনীতির বিস্তর ফারাক রয়েছে। সেখানকার নিয়ম এখানে চলতে পারে না। বৃদ্ধ বাবা-মাকে দেখা ছেলের কর্তব্য বলেই ধরা হয়। বিয়ের পর স্বামীর পরিবারের অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে ওঠেন স্ত্রী। যদি বিশেষ ক্ষেত্র না হয় তবে স্বামীকে অভিভাবকদের থেকে পৃথক করার জন্য মানসিক এবং শারীরিক নির্যাতন করলে বিচ্ছেদের মামলা করতে পারেন স্বামী।’
বায়ে আরো বলা হয়, ‘অতীতে দেখা গিয়েছে স্বামীকে চাপ দিতে স্ত্রী আত্মহত্যার হুমকি বা আত্মহত্যার চেষ্টা করেন। যদি কোনো ক্ষেত্রে তিনি মারা যান তবে আইনি সমস্যায় জর্জরিত হতে হয় সেই ব্যক্তিকে। তার ক্যারিয়ার, পরিবার, সামাজিক সম্মান সব কিছু ছারখার হয়ে যায়। এ সব কিছুর কথা ভেবে শেষ পর্যন্ত চাপের কাছে নতি করে নেন অনেকে। আর যাতে এই রকম ঘটনা না ঘটে তার জন্যই এই রায়ের বিধান করা হয়েছে।’ সূত্র: এই সময়/ইন্ডিয়া টাইমস
Share:

রোগীকে মেঝেতে খাবার দিলো, ভারতের একটি হাসপাতাল!

চূড়ান্ত অমানবিকতার পরিচয় দিল রাঁচির একটি সরকারি হাসপাতাল। খাবার থালা না থাকায় রোগীকে মেঝেতে খেতে দিল হাসপাতাল। বাধ্য হয়েই মেঝে থেকে ভাত-ডাল তুলে খেতে হল পালমতীদেবীকে। ঘটনাটি ঘটেছে ভারতের  রাঁচি ইনস্টিটিউট অফ মেডিক্যাল সায়েন্সে
বুধবার এই ঘটনার ছবি ভারতের  একটি দৈনিক সংবাদপত্রে প্রকাশিত হওয়ার পর থেকেই তা ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। হাসপাতালের যে কর্মী এই কাজ করেছিলেন তাঁকে বহিষ্কার করা হয়েছে। সঙ্গে রোগীদের জন্য নতুন থালারও ব্যবস্থা করা হয়েছে।

হাতে চোট নিয়ে সম্প্রতি এই হাসপাতালের মহিলা বিভাগে ভর্তি হয়েছিলেন পালমতীদেবী। তাঁর কাছে কোনও খাবার থালা ছিল না। ওই দিন দুপুরে সমস্ত রোগীকে খাবার দিতে আসেন হাসপাতালেরই এক কর্মী। পালমতীদেবী খাবার জন্য একটি থালা চান। ওই কর্মী তাঁকে জানান, কোনও থালা নেই। খেতে হলে মেঝে থেকেই খেতে হবে। এই বলে তিনি পালমতীদেবীর বরাদ্দ খাবারের পুরোটাই মেঝেয় ঢেলে দেন। তার আগে পালমতীদেবীকে দিয়েই জায়গাটা পরিষ্কারও করান তিনি। মেঝে থেকে খাবার খাওয়ার সেই ছবি একটি সংবাদ মাধ্যমের হাতে চলে আসে। তার পরেই বিষয়টি নিয়ে হইচই শুরু হয়ে যায়। প্রতি বছর রোগী পরিষেবার জন্য ওই হাসপাতাল ৩০০ কোটি টাকা অনুমোদন পায়। তা সত্ত্বেও এক জন রোগীকে মেঝে থেকে ভাত তুলে খেতে হবে কেন? সে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ অবশ্য ঘটনার কথা মেনে নিয়েছেন। অভিযুক্ত কর্মীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থাও নিয়েছেন তাঁরা। আর যাতে এমন পরিস্থিতির সম্মুখীন হতে না হয় সে দিকে নজর রাখা হবে বলে জানিয়েছেন কর্তৃপক্ষ।
Share:

ভূয়া চিকিৎসকের কারাদন্ড !

বগুড়া শহরের মফিজ পাগলামোড় অবস্থিত ডিজিটাল ডায়াগনস্টিক সেন্টারে অভিযান চালিয়ে আশরাফ নামে একজন ভুয়া চিকিৎসককে রোগী দেখার সময় হাতেনাতে আটক করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
 
পরে আদালত তাকে এক বছরের সশ্রম কারাদ‍ণ্ডাদেশ দিয়েছেন।  
 
মঙ্গলবার (২০ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় জেলার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ডা. তায়েব-উর-রহমান আশিকের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত এ অভিযান পরিচালনা করেন।
 
বুধবার (২১ সেপ্টেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টায় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ডা. তায়েব-উর-রহমান আশিক বাংলানিউজকে জানান, তিনি ডিপ্লোমাধারী একজন পল্লী চিকিৎসক। কিন্তু নিজেকে বড় চিকিৎসক পরিচয় দিয়ে দীর্ঘদিন ধরে রোগী দেখে আসছিলেন। রোগী প্রতি ৪০০-৫০০ টাকা করে ভিজিট আদায় করতেন।
 
মিথ্যা পরিচয়ে জনগণের সঙ্গে প্রতারণার করার জন্য তাকে এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ডাদেশ প্রদান করা হয় বলে জানান ভ্রাম্যমাণ আদালতের এ বিচারক।
 
অভিযানে সার্বিক সহায়তা করেন র‍্যাব-১২ সদস্যরা।
 
বাংলাদেশ সময়: ১২৩০ ঘণ্টা, সেপ্টেম্বর ২১, ২০১৬
Share:

৩৪ কোম্পানির ওষুধে 'ভেজাল', না কেনার পরামর্শ !


৩৪টি কোম্পানির ওষুধ মানসম্পন্ন না হওয়ায় তা কেনা থেকে বিরত থাকতে বলেছে ওষুধ প্রশাসন অধিদফতর।

বুধবার (১০ আগস্ট) মহাখালীতে অধিদফতরের মিলনায়তনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সংস্থাটির মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান জনসাধারণের প্রতি এ আহ্বান জানান।

তিনি বলেন, সুপ্রীম কোর্টের নির্দেশনার পরিপ্রেক্ষিতে ২০ ওষুধ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের সব ধরনের ওধুষ উৎপাদন বন্ধ করা হয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানের ওষুধ বাজারে পাওয়া গেলে তা কেনা যাবে না। 
প্রতিষ্ঠানগুলো হলো-মেসার্স টুডে ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড, কুমিল্লা; মেসার্স ন্যাশনাল ড্রাগ কোম্পানি লি., ধামরাই; মেসার্স ইউনিভার্সাল ফার্মসিউটিক্যালস লি., পাবনা; মেসার্স সুনীপুন ফার্মসিউটিক্যালস লি., গেন্ডা; মেসার্স ড্রাগল্যান্ড লি., নারায়ণগঞ্জ; মেসার্স ডলফিন ফার্মসিউটিক্যালস লি., যাত্রাবাড়ী; মেসার্স জালফা ফার্মাসিউটিক্যালস লি., সিলেট; মেসার্স রিড ফার্মাসিউটিক্যালস লি. ব্রাহ্মণবাড়িয়া; মেসার্স রেমো কেমিক্যালস লি. (ফার্ম ডিভিশন); মেসার্স ক্যাফমা ফার্মাসিউটিক্যালস লি., নোয়াখালী; মেসার্স গ্লোব ল্যাবরেটরীজ (প্রাঃ) লি., মুন্সিগঞ্জ; মেসার্স মেডিকো ফার্মাসিউটিক্যালস লি., রংপুর; মেসার্স নর্থ বেঙ্গল ফার্মাসিউটিক্যালস লি., নওগাঁ; মেসার্স স্পার্ক ফার্মাসিউটিক্যালস লি., চরপাড়া, ময়মনসিংহ; মেসার্স স্টার ফার্মাসিউটিক্যালস লি., বিসিক শিল্প নগরী বরিশাল; মেসার্স ট্রপিক্যাল ফার্মাসিউটিক্যালস লি., শ্যামলী; মেসার্স এভার্ট ফার্মাসিউটিক্যালস লি., মিরপুর; মেসার্স স্কাইল্যাব ফার্মাসিউটিক্যালস লি., বিসিক শিল্প এলাকা, কুমিল্লা ও মেসার্স এক্সিম ফার্মাসিউটিক্যাল লি., ময়মনসিংহ।

এদিকে ১৪টি কোম্পানির সব ধরনের অ্যান্টিবায়োটিক (নন পেনিসিলিন, পেনিসিলিন ও সেফালোস্পরিন) জাতীয় ওষুধ উৎপাদনও বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এসব কোম্পানির ওষুধও না কেনার জন্য পরামর্শ দিয়েছে ওষুধ প্রশাসন।
এগুলোর মধ্যে রয়েছে-মেসার্স আদদ্বীন ফার্মাসিউটিক্যালস লি., বিসিক শিল্প নগরী, যশোর; মেসার্স অ্যালকাড ল্যাবরেটরিজ লি., রংপুর; মেসার্স বেলসেন ফার্মাসিউটিক্যালস লি., ফরিদপুর; মেসার্স বেঙ্গল ড্রাগস অ্যান্ড কেমিক্যাল ওয়ার্কাস লি., কুমিল্লা, মেসার্স ব্রিস্টল ফার্মা লি., কোনাবাড়ী, গাজীপুর; মেসার্স ক্রীস্টাল ফার্মাসিউটিক্যালস লি., চর্থা, কুমিল্লা, মেসার্স ইন্দোবাংলা ফার্মাসিউটিক্যালস লি., বরিশাল; মেসার্স মিল্লাত ফার্মাসিউটিক্যালস লি. পোস্তগোলা শিল্ফা এলাকা, ঢাকা; মেসার্স এমএসটি ফার্মা হেলথকেয়ার লি. গাজীপুর মেসার্স অরবিট ফার্মাসিউটিক্যালস লি., চট্টগ্রাম; মেসার্স ফার্মিক ল্যাবরেটরিজ লি., চট্টগ্রাম, মেসার্স ফিনিক্স কেমিক্যাল ল্যাবরেটরিজ (বাংলাদেশ) লি., নরসীংদী; মেসার্স রাসা ফার্মাসিউটিক্যালস লি., সিরাজগঞ্জ ও মেসার্স সেইভ ফার্মাসিউটিক্যালস লি., ময়মনসিংহ।










Share:

গ্রেফতারকৃত আব্দুল বারি ভুয়া ডাক্তার নন , তিনি রাজশাহী মেডিকেলের R-১৭ এর ছাত্র ছিলেন ।


আব্দুল বারি নামে যে ভুয়া ডাক্তার গ্রেপ্তার হয়েছেন সেদিন,
 ছয় মাসের জেলও দেয়া হয়েছে সে আসলে ভুয়া ডাক্তার নয়। 
সে রাজশাহী মেডিকেল কলেজের R-17 ব্যাচের স্টুডেন্ট !
তার অনেক বন্ধুরা এখন প্রফেসর ।
 কিন্তু এখনো কেউ প্রতিবাদ করল না।
 জিনিসটা খুবি হাস্যকর ও প্রফেশন নিয়ে রসিকতা মনে হলো।





Share:

ভূয়া ডাক্তার সনাক্ত করবেন যেভাবে ?


৪০ দিনের কোর্স করে কিংবা
পল্লী চিকিৎসক 😎 হয়ে কিভাবে
নামের পূর্বে ডাক্তার লিখে ?
মাথায় আসে না ! 😭
মেডিকেলে শত শত ছাত্র 
শত শত পরীক্ষা দিয়ে,
৫- ৬ বছর হাতেকলমে পড়াশুনা করেও
এম.বি.বি.এস কিংবা বি.ডি.এস পাশ না করে ডাক্তার লিখার সাহস পায় না ।
এম.বি.বি.এস কিংবা বি.ডি.এস
পাশ ছাড়া বাংলাদেশের কেউ নামের পূর্বে ডাক্তার লিখলে
জরিমানার বিধান আছে?
তাই, কোনো সন্দেহ হলে
বি এম ডি সি এর ওয়েব সাইটে গিয়ে
http://bmdc.org.bd/doctors-info/
ডাক্তারের রেজিস্ট্রেশন নং দিয়ে সার্চ দিন?
উনি বাংলাদেশের রেজিস্টার্ড ডাক্তার কি না দেখে নিন।
সকল ডাক্তারদের ভিজিটিং কার্ড ও
প্রেসক্রিপশন পত্রে রেজিষ্ট্রেশন নং
উল্লেখ থাকলে ভূয়া ডাক্তার
সনাক্তকরণ সহজ হবে।


Now available Reg No. for Medical 1-80000 and Dental 1-6800 only.
N.B.: Any mistake/ error for correction please send scan copy of BM&DC Registration Certificate by email us using: info@bmdc.org.bd /admin@bmdc.org.bd


Share:

সর্বশেষ ব্লগ

মেডিকেল কলেজ

ডাউনলোড

সকল